রিফাত হত্যার মূল আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের গোলাগুলিতে নিহত বরগুনায় পুরাকাটা এলাকায়


রিফাত হত্যার মূল আসামি নয়ন বন্ড গোলাগুলিতে নিহত। বগুড়ায় ভোর সোয়া ৪ টায় পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। গোলাগুলিতে এএসপিসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত বরগুনায় পুরাকাটা এলাকায় গোলাগুলি হয় পুলিশের সঙ্গে। ২৬ জুন রিফাত কে কুপিয়ে হত্যা করে নয়নসহ সন্ত্রাসীরা।


বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত 7 জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ঢাকায় দুপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান তবে এর আগে জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন 6 জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তার 6 জন হলেন এজাহারভুক্ত আসামি চন্দন সরকার ও মোহাম্মদ হাসান এবং সন্দেহভাজন নাজমুল হাসান তানভির মোঃ সাগর কামরুল হাসান সাইমুম। মামলার বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।


 হত্যা মামলার আসামি চন্দন ও হাসান সাত দিন এবং তিন নাজমুল তিন দিনের রিমান্ডে আছেন। বরগুনা শহরের কলেজ রোড এলাকায় গত বুধবার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে রিফাত শরীফ কে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার প্রতিবাদে আজো প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছে কয়েকটি সংগঠন। বরগুনায় স্ত্রীর সামনে রিফাত কে কুপিয়ে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করেছে পুলিশ সেটা দেখে খুনিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি পুলিশ সবসময় সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করলে রিফাত কে বাঁচানো যেত আটক করা যেত আসামিদের ও।


 পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বরগুনা শহরের 58 পয়েন্টে ক্যামেরা বসানো মারুফ হোসেন সে সময় আশ্বাস দেয়া হয়েছিল এদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে সহর কমে আসবে অপরাধ। রিফাত কে যেখানে দিনে দুপুরে হত্যা করা হয় সেই কলেজ রোড ও সিসি ক্যামেরার আওতায় আছে সেদিনের সেই ফুটেজ পুলিশ উদ্ধার করেছে কিন্তু রিফাত কে কোপানোর সময় কারো কোন নজরদারী ছিল না। তবে পুলিশের দাবি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থাকায় আসামিরা দ্রুত ধরা পড়ছে এতে অপরাধ দমনে এক ধাপ অগ্রগতি উল্লেখ করে ভবিষ্যতে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও কঠোর করার কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। স্থানীয়দের দাবি কেবল প্রযুক্তির প্রদর্শন নয় এর কার্যকর ব্যবহারিক কমিয়ে আনতে পারে অপরাধ।

No comments

Powered by Blogger.