ধোবাউড়ায় সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারা পার ৩০ গ্রামের মানুষ


ধোবাউড়া ( ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা : ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা ঘোষঁগাও ইউনিয়নের নিতাই নদীর উপর কালিকাবাড়ি ঘাটে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের সাঁকো ও নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে ৩০ টি গ্রামের মানুষ পারি দিতে হচ্ছে।

ভারতের মেঘালয় থেকে আসা উপজেলার ঘোষঁগাও বাজারের পুর্ব উত্তর দিয়ে প্রবাহিত এই খরস্রোতা নদীর নাম নিতাই নদী। এলাকাবাসী জানান, শুস্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ৩০ গ্রমের লোকজন, স্কুলের ছাত্র- ছাত্রীরা জীবন বাজী রেখে নৌকা দিয়ে পারা পার করতে হচ্ছে। বর্ষার মৌসুমে খরস্রোতা নিতাই নদী নৌকা দিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকেই নৌকা ডুবে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ঘোষঁগাও ও দক্ষিনমাইজ পাড়া ইউনিয়নেন কালিকা বাড়ী, কড়ইগরা ,রামসিংহপুর,কাশিপুর,বাগপাড়া,ঘিলাগড়া,ছোট মুন্সীপাড়া, রানীপুর,বল্লবপুর, নয়াপাড়া, ঘোষঁগাও ভালুকা পাড়া সহ ৩০ টি গ্রামের হাজার হাজার লোকজন ও শত শত স্কুলের ছাত্র- ছাত্রী এ ঘাট পারি দিয়ে চলাচল করছে।বিশেষ করে নদীর পাশেই কালিকা বাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত।কালিকা বাড়ী প্রাঃ বিঃ প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাশিদ বলেন নিতাই নদী উপর পাকা সেতু না থাকায় ছোট ছোট স্কুলের ছাত্র- ছাত্রীদেন স্কুলে আসা খুবই সমস্যা হচ্ছে।

এ ব্যপারে ধোবাউড়া এল জি ই ডির উপজেলা প্রকৌশলী শাহনূর ফেরদৌস জানান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে পল্লী সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সেতু সমীক্ষা ( ১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের যাচাই শেষে নিয়োগকৃত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের খসড়া প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেতুটির ডিপিপি প্রনয়নের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান সেতুটির নিরীক্ষা চুড়ান্ত করার জন্য গত ২২ মে প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী সোসিও ইকোনমিষ্ট পরিবেশবিদ সহ প্রকল্প পরিচালক মোঃ এবাদত আলী সেতুর স্থান কালিখা বাড়ী গোদারাঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন।তিনি আশা করছেন এবছর সেতুটি টেন্ডারের হবে এবং কাজ শুরু হবে।

No comments

Powered by Blogger.