পূর্বধলা উপজেলা নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘনের জন্য স্থগিত বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন

পূর্বধলা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেনের নেতৃত্বে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে জেলার পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। তাদের একজন হলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন। অপর জন উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মো. মাছুদ আলম তালুকদার টিপু। প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে এই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ২৫/৩০ নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হন। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনসহ থানায় উভয় পক্ষই মামলা ও লিখিত অভিযোগ করেছেন।


নেত্রকোণা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মোতাহসিম বলেন, 'নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে কথা বলেছেন। নির্বাচন কবে হবে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখন কিছুই বলা যাচ্ছেনা নির্বাচন কমিশন থেকে নির্দেশনা মোতাবেক আমারা নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করবো।


এ সময় তদন্তকার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন- তদন্তে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মোতাহসিম, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া নাজনীন, উপজেলা নির্বাচন ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. সিহাব উদ্দিন, পূর্বধলা থানার ওসি তাওহিদুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম, জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুধাংশু শেখর তালুকদার, সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকী, দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনীত জাহিদুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাছুদুল আলম তালুকদার টিপু ,প্রমুখ।

No comments

Powered by Blogger.